ভারতীয় ইউনিয়ন ও তার ভূখণ্ড: (PART-I) The Indian Union and its territory.
- 1 নং ধারা: ভারত ও তার অঙ্গরাজ্যের নাম। (India, that is Bharat, shall be a union of states.)
- 2-4 নং ধারা: রাজ্য গঠন ও পুনর্গঠন সংক্রান্তবিষয় আলোচনা করা হয়েছে।
- 3 নং ধারা: নতুন রাজ্য গঠন ও তাঁর সীমানা নির্ধারণের বিষয়ে পার্লামেন্টের অধিকতর ক্ষমতা।
ভারতীয় ইউনিয়ন ও তার ভূখণ্ড: (PART-I)
সংবিধানের 1(1) ধারাতেই বলা হয়েছে যে, ইন্ডিয়া, অর্থাৎ ভারত হবে রাজ্যসমূহের ইউনিয়ন (“India, that is Bharat shall be Union of states,“)। একদল ‘ইন্ডিয়া‘ নামে এবং অপর দল ‘ভারত‘ নামে এই দেশকে অভিহিত করার পক্ষপাতি ছিলেন। অবশেষে সকলের সন্তুষ্টির স্বার্থে ‘ইন্ডিয়া’ অর্থাৎ ‘ভারত’ এই কথাগুলি সংবিধানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। গণপরিষদের খসড়া-কমিটির সভাপতি ডক্টর আম্বেদকর (Dr. B.R. Ambedkar) ও এক্ষেত্রে দুটি যুক্তির অবতারণা করেন। ‘যুক্তরাষ্ট্র’র পরিবর্তে ‘রাজ্যসমূহের ইউনিয়ন’ (Union of States) কথাগুলি প্রয়োগের পক্ষে তিনি বললেন যে,
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মতো ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্র অঙ্গরাজ্যগুলির মধ্যে চুক্তির ফলে গঠিত হয়নি।
- কোনো অঙ্গরাজ্যকে যুক্তরাষ্ট্র পরিত্যাগের অধিকার দেওয়া হয়নি।
1966 সালে সংবিধানের 18 তম সংশোধনীতে “রামকিশোর কেসে” সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটা স্পষ্ট করে বলা হয় সংবিধানের 3 নম্বর ধারায় “রাজ্য” বলতে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলও বোঝায়। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি সংবিধানের একনম্বর তালিকার অন্তর্ভুক্ত।
যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে অটুট রাখার উদ্দেশ্যে রাজ্যসমূহের ইউনিয়ন শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের এই অভঙ্গনীয় (indestructible) প্রকৃতির উপর গুরুত্ব আরোপ করার জন্য সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী আইনে (1963) ভারতের সার্বভৌমিকতা ও অখণ্ডতার কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে ভারতীয় সংবিধানের রচয়িতারা কানাডার সংবিধানকে অনুসরণ করেছেন।
সংবিধানের 2 নম্বর ধারা অনুসারে পার্লামেন্ট যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেই শর্তে আইন প্রণয়ন করে নতুন রাজ্য গঠন করতে পারবে বা কোনো অঞ্চলকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে।
রাজ্য গঠন ও পুনর্গঠন সম্পর্কিত সাংবিধানিক ব্যবস্থা:
- সংবিধানের ও নম্বর ধারা অনুযায়ী,
- (ক) রাজ্যের সীমা পরিবর্তন।
- (খ) আয়তন কমানো বা বাড়ানোর জন্য।
- (গ) রাজ্যের নাম পরিবর্তনের জন্য পার্লামেন্টের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত।
- রাজ্য গঠন বা পুনর্গঠন সম্পর্কিত বিল সংসদে উত্থাপন করা যায়। তবে রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া বিলটি পার্লামেন্টে পেশ করা যায় না।
- বিলটি পার্লামেন্টে উত্থাপনের আগেই রাষ্ট্রপতি সংশ্লিষ্ট রাজ্যের আইন সভার কাছে মতামতের জন্য প্রেরণ করেন। এক্ষেত্রে মতামত জানানোর জন্য রাষ্ট্রপতি একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিতে পারেন।
- সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মতামত নেওয়া হলেও তা গ্রহণ করা কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে বাধ্যতামূলক নয়।
- এরপর বিলটি সংসদে পাস হলে (Simple Majority) তা আইনে পরিণত হয়।
- 368 নম্বর ধারায় সংবিধান সংশোধনের কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই।
- কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে কোনো মতামত গ্রহণ করতে হয় না।
ভারতীয় ভূখণ্ডের কোনো অংশ অপর কোনো দেশকে হস্তান্তর:
- সংবিধানের ও নম্বর ধারা বলে ভারতীয় ভূখণ্ডের কোনো অংশ অপর কোনো দেশকে হস্তান্তর করা যায় না। ভারত-ভূখণ্ডের কোনো অংশকে অন্য রাষ্ট্রের কাছে হস্তান্তর করতে হলে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন হয়।
- 1958 সালে ভারত সরকার বেরুবাড়ি হস্তান্তর করার জন্য পাকিস্তানের সঙ্গে একটি চুক্তিবদ্ধ হয়। এই হস্তান্তরের বিষয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হলে রাষ্ট্রপতি পরামর্শের জন্য বিষয়টিকে সুপ্রিম কোর্টের কাছে প্রেরণ করেন। এক্ষেত্রে মহামান্য সুপ্রিম কোর্ট এই মতামত ব্যক্ত করেন যে, সংবিধান সংশোধন করে ভারতীয় ভূখণ্ডের কোনো অংশ অন্য দেশের কাছে হস্তান্তর করা সম্ভব। এরপর সংবিধানের নবম সংশোধনীর মাধ্যমে 1960 সালে বেরুবাড়িকে পাকিস্তানের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
- উল্লেখ করা দরকার যে এরকম ক্ষেত্রেও সংবিধান সংশোধনের ব্যাপারে পার্লামেন্ট হল সর্বেসর্বা। এক্ষেত্রেও পার্লামেন্ট সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মতামত গ্রহণ করতে বাধ্য নয়।
- প্রকৃত প্রস্তাবে সংবিধানের ১নং ধারাটি 1935 সালের ভারত শাসন আইনের 290(1) ধারাটির সামান্য রদবদল করে রচিত হয়েছে।
আদালত যৌক্তিকতা বিচার করতে পারে না:
- ভারতীয় সংবিধান সাধারণ আইন প্রণয়নের পদ্ধতিতে অঙ্গরাজ্যের আয়তন, সীমানা, নাম প্রভৃতি পরিবর্তনের ক্ষমতা পার্লামেন্টকে দিয়েছে। আবার সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে পার্লামেন্ট ভারতীয় ভূখণ্ডের কোনো অংশকে অন্যকে দিয়ে দিতে পারে। এই সমস্ত ক্ষেত্রে সরকারি সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা আদালত বিচার করে দেখতে পারে না। কারণ এক্ষেত্রে আদালতের বিচার বিভাগীয় সমীক্ষা ক্ষমতা (Power of judicial review) নেই।
- রাজামান্নার কমিটির প্রতিবেদন-
- রাজ্য গঠন ও পুনর্গঠনের ব্যাপারে তামিলনাড়ুর ডি.এম.কে. সরকার 1970 সালে রাজামান্নার কমিটি নিয়োগ করেন। এই কমিটি 1971 সালের 10 মার্চ তার প্রতিবেদন পেশ করে। রাজামান্নার কমিশনের প্রতিবেদনে এই ব্যবস্থার পরিবর্তন দাবি করাহয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে নিম্নোক্ত যে-কোনো একটি পদ্ধতি ছাড়া অঙ্গরাজ্যের উপর হস্তক্ষেপ করা যাবে না:
- সংশ্লিষ্ট রাজ্যের মতামত নিতে হবে; অথবা
- একটি উচ্চ পর্যায়ের বিচারবিভাগীয় ট্রাইবুনাল গঠন করতে হবে ও তার কাছে বিষয়টি পেশ করতে হবে এবং তার সিদ্ধান্ত বাধ্যতামূলক হবে; অথবা
- বিশেষ একটি নির্বাচনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের জনগণের মতামত নিতে হবে।
- নিয়ম অনুযায়ী 1947 সালের 15 আগস্টের মধ্যে তিনটি রাজ্য, যথা: হায়দ্রাবাদ, জুনাগর এবং জম্মু কাশ্মীর ভারতের সাথে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য Instrument of Accession স্বাক্ষর করেনি।
- প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, তৎকালীন ভারতবর্ষের ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে অবস্থিত 552টি দেশীয় রাজ্যের মধ্যে 549টি রাজ্য ভারত রাষ্ট্রের সঙ্গে যুক্ত হয়। কিন্তু দেশীয় রাজ্যগুলির মধ্যে হায়দ্রাবাদ, জুনাগড় এবং কাশ্মীর ভারত রাষ্ট্রে যোগ দিতে অস্বীকার করে। পরবর্তীকালে অবশ্য এই 3টি রাজ্য ভারতের সঙ্গে যুক্ত হয়। হায়দ্রাবাদ সংযুক্ত হয় পুলিশি পদক্ষেপের মাধ্যমে, জুনাগড় সংযুক্ত হয় গণভোটের মাধ্যমে এবং কাশ্মীর সংযুক্ত হয় অন্তর্ভুক্তিকরণের মাধ্যমে। (1947 সালের 26 অক্টোবর)।
- দীর্ঘ আন্দোলনের পরে ভাষাগত ভিত্তিতে প্রথম ভারতীয় রাজ্যটি হল অন্ধ্রপ্রদেশ। তেলুগু সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র গঠনের দাবিতে আন্দোলনকারীদের মধ্যে অন্যতম পট্টি শ্রীরামুলু (Potti Sreeramulu) আমৃত্যু অনশনের পরে 1952 সালের 16 ডিসেম্বর মারা যান। এর ফলে 1 অক্টোবর 1953-এ তেলুগু ভাষাভাষীদের জন্য ভাষা-ভিত্তিক প্রথম রাজ্য “অন্ধ্র রাজ্য” তৈরি হয়েছিল। 1956 সালের 1 নভেম্বর অন্ধ্র রাজ্য এবং হায়দ্রাবাদ রাজ্যের তেলেঙ্গানা অঞ্চল একত্রিত হয়ে তেলেগুভাষী রাজ্য “অন্ধ্রপ্রদেশ” গঠন করেছিল। হায়দ্রাবাদ রাজ্যের অ-তেলেগুভাষী অংশগুলি এম.এইচ. রাজ্য এবং কর্ণাটক রাজ্যের (M.H. State and Karnataka State) সাথে একীভূত হয়েছিল।
- 1958 সালের 22 ডিসেম্বর তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহরু রাজ্য পুনর্গঠনের বিষয়টি বিচারবিবেচনার উদ্দেশ্যে রাজ্য পুনর্গঠন কমিশন গঠন করেন। সুপ্রিমকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি ফজল আলি ওই কমিশনের সভাপতিত্ব করেন এবং হৃদয়নাথ কুঞ্জরু ও কে এম পানিক্কর সদস্যরূপে নিযুক্ত হন।
- 1955 সালের 30 সেপ্টেম্বর এই কমিশন কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে। কমিশনের রিপোর্টে ‘ক’, ‘খ’, ‘গ’ ও ‘ঘ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্যগুলি বিলোপ ঘটিয়ে 16টি ভারতীয় রাজ্য ও 3টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের সুপারিশ করা হয়।
| শ্রেণি | রাজ্যের সংখ্যা | অন্তর্ভুক্ত রাজ্যসমূহ |
|---|---|---|
| ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্য | ৭টি | আসাম, বিহার, বোম্বাই, মধ্যপ্রদেশ, মাদ্রাজ, উত্তরপ্রদেশ, পশ্চিমবঙ্গ |
| ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্য | ৪টি | হায়দ্রাবাদ, জম্মু ও কাশ্মীর, মধ্য ভারত, পাটিয়ালা ও পূর্ব পাঞ্জাব রাজ্য ইউনিয়ন (PEPSU) |
| ‘গ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্য | ১০টি | আজমির–মেওয়ার, ভোপাল, বিলাসপুর, কোর্গ, দিল্লি, হিমাচল প্রদেশ, কচ্ছ, মণিপুর, ত্রিপুরা |
| ‘ঘ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্য | ১টি | আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ |
রাজ্য পুনর্গঠন আইন (States Reorganisation Act, 1956):
- ফজল আলি কমিশনের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে 1956 সালে রাজ্য পুনর্গঠন আইনটি (States Reorganisation Act, 1956) পাস করা হয়। রাজ্য পুনর্গঠন আইন অনুসারে, ভারতে 14টি রাজ্য এবং ১টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের কথা ঘোষণা করা হয়। এই আইন অনুসারে ‘ক’, ‘খ’ ‘গ’ ও ‘ঘ’ শ্রেণিভুক্ত রাজ্যগুলির বিলোপ ঘটিয়ে সমস্ত অঙ্গরাজ্যগুলিকে একই পর্যায়ভুক্ত হিসাবে ঘোষণা করা হয়। প্রতিটি অঙ্গরাজ্যের প্রধানরূপে রাজ্যপালকে নিযুক্ত করা হয় এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি প্রত্যক্ষভাবে কেন্দ্র দ্বারা পরিচালিত হওয়ার কথা ঘোষিত হয়।
- 1953 সালে State Reorganization কমিশনের প্রধান ছিলেন সৈয়দ ফজল আলি। অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কে. এম. পানিক্কর ও এইচ. এন. কুঞ্জরু।
- State Reorganization Act, 1956-এ পণ্ডিত জহরলাল নেহেরুর স্বপ্ন সমগ্র ভারতকে পাঁচটি জোনাল কাউন্সিলে ভাগ করা হয়।
- North Eastern Council গঠিত হয় 1972 সালে। সিকিম 2002 সালে নর্থ-ইস্ট কাউন্সিলের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- 1956 সালে রাজ্য পুনর্গঠন আইন পাস করা হয় এই আইনে 14টি রাজ্য পাঁচটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছিল।
- 1956 সালের মে মাসে ফরাসি সরকারের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী চন্দননগর, মাহে, ইয়ানাম ও কারিকলকে ভারতের অঙ্গরাজ্যগুলির অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- 1956 সালে পণ্ডিচেরি একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।
- 1960 সালে বোম্বাইকে দ্বিখণ্ডিত করে গুজরাট ও মহারাষ্ট্র নামক দুটি রাজ্য সৃষ্টি করা হয়।
- 1961 সালে দাদরা ও নগর হাভেলী পর্তুগীজ শাসন থেকে মুক্ত হয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।
- 1962 সালের আগস্ট মাসে ত্রয়োদশ সংবিধান সংশোধন অনুসারে নাগাল্যান্ড স্বতন্ত্র রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
- 1966 সালে পাঞ্জাব দুভাগে বিভক্ত হয়ে হরিয়ানা ও পাঞ্জাব নামে দুটি রাজ্য গঠিত হয় এবং চণ্ডিগড়কে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়।
- 1969 সালের 14 জানুয়ারি State Reorganization Act, 1956 অনুসারে মাদ্রাজ রাজ্যের নামকরণ করা হয় তামিলনাড়ু। এই নামকরণ করা হয় তামিল ভাষার প্রাধান্য অনুযায়ী।
- 18th Dec, 1970 The State of Himachal Predesh Act was passed by the Parliament.w1971 সালে হিমাচল প্রদেশ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা পায়।
- 1972 সালে মেঘালয়, মণিপুর ও ত্রিপুরা পূর্ণ রাজ্য হিসেবে এবং মিজোরাম ও অরুণাচল প্রদেশ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে গঠিত হয়।
- 1972 সালের 20 জানুয়ারি নর্থ ইস্টার্ন ফ্রন্টিয়ের এজেন্সির (NEFA) নামকরণ করা হয় “অরুণাচলপ্রদেশ”।
- 1974 সালে সংবিধানের 35 তম সংশোধনী অনুযায়ী সিকিম একটি স্বাধীন রাজ্য হিসেবে স্বীকৃতি পায়। এর পরের বছর 1975 সালে সংবিধানের 36তম সংশোধনীর মাধ্যমে সিকিম একটি অঙ্গরাজ্য হিসেবে ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়।
- 1986 সালে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিজোরাম ও অরুণাচলপ্রদেশ (1987) পূর্ণ অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা পায়।
- 1986 সালে সংবিধানের 53তম সংশোধনীতে একটি নতুন ধারা 371G যুক্ত করে মিজোরামকে পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা দেওয়া হয়।
- 1987 সালের 30 মে গোয়া রাজ্য গঠিত হয়।1987 সালের 30 মে দমন ও দিউ গোয়া থেকে পৃথক হয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।
- সংবিধানের 69 নম্বর সংশোধনী আইনে 1991 সালে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লিকে জাতীয় রাজধানী অঞ্চল (National Capital Territory) হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
- 2000 সালে মধ্যপ্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও বিহার বিভক্ত হয়ে তিনটি নতুন রাজ্য যথাক্রমে ছত্তিশগড়, উত্তরাঞ্চল ও ঝাড়খণ্ড গঠিত হয়।
- 2014 সালের জুন মাসে অন্ধ্রপ্রদেশ ভেঙে অন্ধ্রপ্রদেশ ও তেলেঙ্গানা রাজ্য গঠিত হয়।
- 2019 সালের 31 অক্টোবর জম্মু ও কাশ্মীর রাজ্য বিভক্ত হয়ে জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাডাখ নামে দুটি পৃথক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠিত হয়েছে।
- 2020 সালের 26 জানুয়ারি থেকে দমন ও দিউ এবং দাদরা ও নগর হাভেলী এই দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল যুক্ত হয়ে একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত হয়।
- বর্তমানে ভারতে 28টি রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (দিল্লি সহ) আছে।



Post Comment